পোস্টগুলি

LIFE OF A MAN

ছবি
অদ্ভুত এক জীবন. ১৬ বছর বয়সে ক্লাসমেট মেয়েদের পাশে যখন শত প্রেমের অফার আসে তখন ছেলেদের জাস্টবন্ধু হবার মতোও কেউ জুটে না। ..১৮বছর বয়সে ক্লাসমেট মেয়েরা বিয়ের যোগ্য হলেও ছেলেরা বাল্যকালের উপাধি পায়। ২০ বছর বয়সে একটা রিলেশনশিপের জন্য কি অধীর আকুলতা অথচ ক্লাসমেট মেয়েরা হাসতে হাসতে তার সামনেই ৫ বছর সিনিয়র ভাইয়ের প্রশংসা করে। ২২ বছর বয়সে যখন বান্ধবিদের বিয়ের সিরিয়াল চলতে থাকে তখনো সমাজ ছেলেদের বলে অনার্স এর "বাচ্চা ছেলে"! ২৪ বছরে মেয়েরা যখন পড়াশুনা প্রায় ক্ষ্যান্ত দিতে যাচ্ছে তখন ছেলেটার যেন যুদ্ধ শুরু! নেশাগ্রস্ত হতাশাগ্রস্ত যাই হোক না কেন, যে ছেলেটার নিজেরই চালচুলো নেই তাঁকেও যেন বহুবার ভাবতে হয় ইনকাম না করলে বিয়ে হবে না তাঁকেও দায়িত্ব নিতে হবে, সংসার, বউ, বাচ্চার! নীরব কান্নায় কাউকে খুঁজে না পেলেও একটা কথা সমাজ, আত্নীয়স্বজন, পরিবার ঠিকই মনে করিয়ে দিবে- "ছেলে কি করে? প্রতিষ্ঠিত তো?" "অনার্স মাস্টার্স শেষ মেয়েটার জন্য শত বিয়ের অপশন পরিবার দিলেও, ছেলেটার সামনে একটাই অপশন , "কিরে আর কবে চাকরি পাবি!" বিশ্ববিদ্যালয়েরর অাগুন ঝরা দিনগুলোতে প্রফেসর লেকচারে বলতেন ...

Depression

ছবি
যারা ডিপ্রেশনে থাকে তাদের দেখলে বুঝা যাবে না তারা ডিপ্রেশনে আছে। স্বাভাবিক মানুষের থেকেও স্বাভাবিক ভাবে তারা চলা ফেরা করে।কারনে অকারনেই হাসে। যে হাসিমুখ দেখে অনেকেই বুঝতে পারে না, তাদের ভিতরে কি চলছে। যারা মন খারাপ করে থাকে। কোনো কিছু ভালো লাগে না।অথবা কোনো কিছু নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করে হতাশায় ভোগে। স্যাড পোষ্ট কিংবা স্যাড সং পছন্দ করতে শুরু করে। না খেয়ে থাকে কিংবা মাঝে মধ্যে অপ্রিয় সিগারেটটাকে টান দিয়ে আপন ভাবতে শুরু করে। এগুলো যারা করে তারা ডিপ্রেশনের প্রথম পর্যায়ে থাকে। এ সময়ে মানুষ অ্যাটেনশন চায়।মানুষ চায় তার কথা কেউ শুনুক, কেউ বুঝুক। কেউ অন্তত তাকে নিয়ে চিন্তা করুক। কিন্তু পর্যাপ্ত অ্যাটেনশনের অভাবে মানুষটা বুঝতে পারে এভাবে হবে না। ধীরে ধীরে ডিপ্রেশনে ডুবে গেলে মানুষটা অস্বাভাবিক ভাবে স্বাভাবিক আচরন করে।ডিপ্রেশনে ডুবে যারা অতীতে মরে গেছে,তারা হাসতে হাসতেই মরে গেছে। তাই কারো হাসি দেখেই ভেবো না সে ভালো আছে, হয়তো সে হাসি মুখে বিদায় নেবার প্রস্তুতি নিচ্ছে!

কমলিনী

ছবি
  " আচ্ছা আমরা কি টাকা জমানোর জন্য বাঁচি? " " মানে? " " মানে কি জন্য বাঁচি আমরা ? একদিন আরো বয়স হবে, হাতের মতো মুখের উপরও নানা রেখার কাটাকুটি খেলা চলবে, তখন অনেক টাকা থাকলেও বেড়াতে যেতে পারব না, দামি আইপ্যাড থাকলেও ট্র্যাভেল ব্লগ লিখতে পারব না, সোনায়-বাঁধানো গিটারে একটা ভালো প্রোগ্রেশন খেলবে না, আর একটা জঙ্গলে ক্যামেরা নিয়ে চুপচাপ বসে থাকতে পারব না, কখন একটা কমন গ্রিন ম্যাগপাই কাঁধে বসে মাথায় বসবে, এসব কাকে বলব তখন, এ-দুঃখ কে নেবে…? আমার সঙ্গে বুড়ো হবে কমলিনী...?

একটা তুই চাই

ছবি
   আমি একটা তুই চাই। একটা সত্যিকারের তুই চাই। যে জানবে আমার পুরো ভিতরটা, জানবে আমার লুকোনো সব দোষ। আমার বদমায়েশি আমার নোংরামি। আমার কলঙ্ক। যে নিজে থেকে আমার ভুলগুলোর অংশীদার হবে। আমার পাপগুলোকে অর্ধেক করে লিখে নিবে। নিজের খাতার প্রথম পাতায়। আমি এমন একটা তুই চাই। যাকে আমি নির্ভয়ে উপহার দিবো আমার সব অনিয়ম। আমার অপারগতা, আমার বদভ্যাস, আমার উচ্ছৃঙ্খলা। আমি এমনই একটা তুই চাই।